ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
ফের পেছালো তিন্নি হত্যা মামলার রায়
কলকাতা টিভি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১, ০৬:১৪:৫২ পিএম
  • / ৪১ বার খবরটি পড়া হয়েছে

ফের পেছালো আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যা মামলার রায়। আগামী ৫ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। মামলার একমাত্র আসামি বরিশাল-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভি।

সোমবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কেশব রায় চৌধুরী আদালতে এ রায় ঘোষণা করার কথা ছিল।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, তিন্নির বাবা ও চাচার আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছিল। তারা তাদের সাক্ষ্য পুনরায় গ্রহণের আবেদন করেছেন। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেছেন বিধায় আজ রায় হচ্ছে না।

এর আগে গত ২৬ অক্টোবর একই আদালতে রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। ওই দিন বিচারক রায় ঘোষণা না করে ১৫ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর রাতে খুন হন তিন্নি। এর আগে ৬ নভেম্বর তিন্নিকে তার স্বামী সাক্কাত হোসেন পিয়ালের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে বাধ্য করেন অভি। তিন্নিও তাকে তালাক দেন। ওই দিনই পিয়ালকে তার দেড় বছর বয়সী কন্যাসন্তানসহ রাজধানীর বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর বিয়ে করার জন্য অভিকে চাপ দিতে থাকেন তিন্নি। একপর্যায়ে তিন্নি বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেন।

১০ নভেম্বর রাতে মাথায় আঘাত করে তিন্নিকে হত্যা করা হয়। এরপর গুমের উদ্দেশ্যে ওই রাতে বুড়িগঙ্গার ১ নম্বর চীন মৈত্রী সেতুর ওপর থেকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয় মরদেহ। কিন্তু পানিতে নয়, মরদেহটি পড়ে পিলারের উঁচু অংশে। পরদিন সকালে মরদেহ ঘিরে উৎসুক জনতা ভিড় করে।

কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহালের পর ময়নাতদন্ত করে। মর্গে চারদিন রাখার পর ১৫ নভেম্বর অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয় তিন্নিকে।

২০১০ সালের ১৪ জুলাই ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তিন্নি হত্যা মামলায় আসামি অভির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

জানা যায়, গোলাম ফারুক অভির উত্থান ঘটে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে। ছাত্র হিসেবে তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। এসএসসি ও এইচএসসিতে বোর্ড পর্যায়ে মেধার সাক্ষর রাখেন। নব্বইয়ের গণআন্দোলন ঠেকাতে এরশাদের নজর পান অভি। ওই সময় অপহরণ, মুক্তিপণ ও চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। তিনি নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে তিনি গ্রেফতার হন। তবে নব্বইয়ের গণআন্দোলনের চরম পর্যায়ে ডিসেম্বরের প্রথমদিকে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। আর মুক্তি পেয়েই পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। এরপর বিদেশে পাড়ি জমান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই মুহূর্তে

নৃবৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতি ব্যবসায়িক পণ্য জরিপ ও বাজার যাচাই করতে খুবই যুগোপযোগী
বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১
এখন যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদাপ্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১
দীর্ঘ ২৪ বছরে পার্বত্য শান্তি চুক্তি, বাস্তবায়ন নিয়ে ক্ষোভ
বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১
দুই সিটি করপোরেশনের ভাড়াটে চালকরা পালিয়েছেন : নগরজুড়ে বর্জ্যের স্তূপ
বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১
সাভারে শবে বরাতের রাতে ৬ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা : ১৩ জনের ফাঁসির আদেশ
বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছে বিএনপিঃ বাহাউদ্দিন নাছিম
বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১
উইঘুরদের নির্যাতন-পীড়নে চীনের নেতারা, ফাঁস জিনজিয়াং পেপারস
বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১
‘বিজয়ের মাসে ৫জি যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ’
বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১
বাসচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বিএনপি!
বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১
যেসব খাতে পাকিস্তান-ভারতকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ
বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১
খবরের আর্কাইভ